ইথিক্যাল হ্যাকিং

ইথিক্যাল হ্যাকিং - ০১

  • Oct 25, 2020
  • comments

হ্যাকিং শব্দটি এখন অনেকের চিন্তার বা ব্যাবসায়িদের রোগের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। হ্যাকিং এর নামটা শুনলে আমরা প্রায় সবাই চিন্তাই পড়ে যাই। কিন্তু আমরা সবাই মোটামোটি জানি যে হ্যাকিংয়ের খারাপ দিক রয়েছে তেমনি রয়েছে ভালো দিক ও।


আমরা জানি হ্যাকিংয়ের ভাগ হচ্ছে তিনটি-
1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং
2. গ্রে হ্যাট হ্যাকিং ও
3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকিং

চলুন দেখি তাদের সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জানা যাকঃ

ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: - ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার (কালো টুপি হ্যাকাররা) হচ্ছে উচ্চমানের কম্পিউটার প্রোগ্রামার কিন্তু তারা তাদের এ জ্ঞানের ঝুলি মানুষের ক্ষতি করার জন্য ব্যবহার করে থাকেন। তারা অন্যের কমপিউটারে অনুপ্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি, অন্যের আকাউন্টের টাকা ট্রান্সফার, কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্বলিত নেটওয়ার্কের সুরক্ষা নষ্ট করা, ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা ইত্যাদি বড় ধরণের অপরাধ করে থাকেন। মূল কথা হচ্ছে আপনার তথ্য চুরি করে আপনাকে বিপদে ফেলার নামই হচ্ছে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং।

গ্রে হ্যাট হ্যাকার:- গ্রে হ্যাট (ধূসর টুপি) হ্যাকাররাও ভালোমানের প্রোগ্রামার তবে তারা সুপ্ত অবস্থায় থাকেন। তারা তাদের বিদ্যা খারাপ কাজে বা ভালো কাজে ব্যবহার করতে পারেন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় নিজের ছোটোখাটো প্রয়োজনের জন্য তারা বিভিন্ন সফটওয়্যারের লাইসেন্স হ্যাক, কারো মেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক, ওয়েবসাইট হ্যাক ইত্যাদি করে থাকেন। অনেকেই তাদেরকে হ্যাকারের পরিবর্তে ক্র্যাকার বলে ডাকতে বেশি সাচ্ছ্ন্দ বোধ করেন।

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:- হোয়াইট হ্যাট বা সাদা টুপি হ্যাকাররা হচ্ছে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের যম। তাদের কাজ হচ্ছে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারের বিপরীতে কাজ করা। হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের ইথিক্যাল হ্যাকারও বলা হয়। বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে বেশ ভালোমানের সুরক্ষার দরকার পড়ে সেখানে তারা তাদের নেটওয়ার্ক ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারের কবল থেকে বাচানোর জন্য নিয়োগ দেন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বা ইথিক্যাল হ্যাকারদের। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুরক্ষার দায়ভার পড়ে এসব ইথিক্যাল হ্যাকারদের হাতে তাই কর্মসংস্থান বেড়েছে ইথিক্যাল হ্যাকারদের। একারণে ইদানিং হ্যাকিং এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করছে হ্যাকিং শেখার ব্যাপারে।

Discussion

Downloads comming soon !!!